April 21, 2021, 5:34 pm


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংশয়, শনিবার বৈঠক

করোনা আক্রান্তের হার ফের ঊর্ধ্বমুখি হওয়ায় আগামী ৩০ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে ফের বৈঠকে বসছে আন্তঃমন্ত্রণালয়।
শনিবার (১৩ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক, ইউজিসি কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত ছিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হবে। সে জন্য শনিবার বিকালে তথ্য মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়ছে। তবে এখন পর্যন্ত যেটুকু দেখছি তাতে মনে হচ্ছে, আরও দুই সপ্তাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হতে পারে। তখন সংক্রমণ পরিস্থিতি বোঝা যাবে। তবে সংক্রমণ যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তাহলে তো আশঙ্কার কথা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিফতরের একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে করোনা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় সরকারের বিভিন্ন দফতর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতির সর্ম্পকে জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা জানিয়েছি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ। শিক্ষকদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রমও চলছে দ্রুত গতিতে। তবে স্কুল-কলেজ খুললে পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় কথা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা আমাদের জানিয়েছেন। এ উদ্বেগের বিষয়টি শনিবারের সভায় তোলা হবে।শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ১৫ মার্চ পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবো। পরিস্থিতি কী দাঁড়ায় সেটা বিবেচনা করে একটা ঘোষণা দেব। তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে আমরা।

এর আগে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) মন্ত্রীসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মে-জুন ও জুলাইয়ে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন বলেন, যখন স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তখন তো সংক্রমণের হার ২ শতাংশের মাঝামাঝি ছিল। এখন তো আবার বাড়ছে। ফলে খুলতে হলে সবকিছুর একটা সমন্বয় আনতে হবে। এখন খুলতে হলে সবাইকে নিয়ে মিটিং করতে হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের তথ্য ও মত তুলে ধরবে। তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। এখনো ৩১ মার্চ আসতে তিন সপ্তাহের মতো সময় আছে। সংক্রমণ কোন পর্যায়ে যায় সেটাও বোঝা যাবে।

 

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


সংবাদ পড়তে লাইক দিন ফেসবুক পেজে