September 27, 2020, 8:04 pm


আলবেয়ার ক্যামুর ‘দ্য প্লেগ’এবং কোভিড নাইনটিন

মিরন মহিউদ্দীন
বিংশ শতাব্দীর অস্তিত্ববাদী দার্শনিক আলবেয়ার ক্যামু জন্মেছিলেন ফরাসি অধিকৃত উপনিবেশ আলজেরিয়ার ওরাওঁ শহরে ১৯১৩ সালের নভেম্বর মাসে। কাছ থেকে দেখেছিলেন ফরাসিদের নির্মম শোষণ-নিপীড়ন। জর্মান বাহিনী সুচতুর কৌশলে কীভাবে আইন-নৈতিকতাকে পাশ কেটে উপনিবেশগুলোকে শোষণ করেছে, তা আলজেরিয়ায় বড় হতে হতে প্রত্যক্ষ করেছিলেন ক্যামু। তার লেখা সবকটি উপন্যাসে বারবার যে শহরের কথা ঘুরে ফিরে এসেছে, সেই এই ওরাওঁ শহর। কখনও ভুলতে পারেন নি, ক্যামুর পক্ষে ভুলে যাওয়ার কথাও না তার স্মৃতিধন্য ওরাওঁ শহরকে।
ক্যামু ছিলেন প্রচলিত শাস্ত্র, নিয়ম আর ছকে বাঁধা জীবন বিরোধী। নিজস্বতা দিয়ে নিজেকে চেনানোর, জানান দেবার এক মহান কারিগর তিনি। তিনি সমাজের বিচারক নন, সৃষ্টিশীল কাজের প্রতিভূ। তিনি ইতিহাসের নিয়ন্ত্রণকারীদের কখনো সেবাদাসে পরিণত হবেন না, কারণ তাঁর মূল কাজ ইতিহাসকে ভেঙে সৃষ্টিশীল জীবনকে জাগরূক করা। তিনি থাকবেন পীড়িতদের পক্ষের মানুষ হয়ে। তিনি পৃথিবীর সব কর্মকে যোক্তিক বলে মনে করেন না। মনে করেন, এক নিরর্থকতার আবরণে বন্দি পৃথিবী। তার কাছে জন্ম-মৃত্যু সবই অর্থহীন, জীবনের সব কিছুতেই তিনি দেখেছেন নিরর্থকতা।অন্ধকারের মাঝে আলোর ঝিলিক খুঁজে পেতে চেয়েছেন নিজস্বতায়। এটুকুই তার জীবনের লক্ষ্য। তার প্রতিবাদের উপকরণ, ভাষা ভিন্ন। কিন্তু তাই বলে সমাজ, রাষ্ট্র থেকে বিছিন্ন নয়। সমাজে, রাষ্ট্রে বহুত্ববাদ আর বহুসংস্কৃতির সংমিশ্রণের পক্ষে ছিলেন তিনি।
ঔপন্যাসিক আলবেয়ার ক্যামু তার মাত্র সাতচল্লিশ বছরের জীবনে দেখেছেন রাষ্ট্রের , ব্যক্তি জীবনের অনেক উত্থান-পতন। আলজেরিয়ার জাতীয় ফুটবল দলে খেলেছেন, সাংবাদিকতা করেছেন। একসময় ফ্রান্সে গিয়েছেন। এরই মধ্যে আবার শুরু হয় বিশ্বযুদ্ধ। কিন্তু ক্যামু তার পেশাগত দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেননি। দুঃসময়েও কোঁবা নামের একটি নিষিদ্ধ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন, আর্টিকেল সংগ্রহের কাজ করতেন। তার সাহিত্যকর্ম খুব বেশি নয়, কিন্তু সবগুলোই এক একটি বিস্ময়কর সৃষ্টি। ১৯৫৭ সালে চুয়াল্লিশ বছর বয়সে নোবেল পুরস্কারও পেয়েছিলেন এই মহান সাহিত্যিক। সহজ সরল ভাষায় কীভাবে ইতিহাসের সাথে সূক্ষ্ম রাজনৈতিক চেতনা মিশিয়ে সাহিত্যকে সর্বসাধারণের পাঠযোগ্য করে তোলা যায়, সে বিষয়ে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। ‘দ্য প্লেগ ‘ ঠিক সে ধারার একটি অস্তিত্ববাদী উপন্যাস। যদিও তিনি তার জীবদ্দশায় এই আখ্যাটি গ্রহণ করেননি।
সাহিত্য জীবনের প্রতিচ্ছবি, বিন্দু বিন্দু মিলে জীবন সিন্ধু। মহামারী আর যুদ্ধ বিগ্রহের বাস্তবতায় সাহিত্যিকেরা পেয়ে যান লেখালেখির কাচামাল, নতুন প¬ট। কখনও মহামারী হয়ে ওঠে দানবীয় শক্তির প্রতীক। লেখকেরা কলম ধরে এগোতে থাকেন সাহিত্যকে নতুন কিছু দেয়ার তাগিদে। মহামারী নিয়ে লেখা যেসব উপন্যাস বিখ্যাত হয়েছে, তার মধ্যে আলবেয়ার ক্যামুর ‘দ্য প্লেগ’ অন্যতম মাস্টারপীস। ‘দ্য প্লেগ’ উপন্যাসটি যখন ১৯৩৯ সালে লেখা শুরু করেন, তখন বিশ্ব ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে বোমা আর মরণাগ্রের আঘাতে। চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।তার উপন্যাসগুলোর ভেতর ‘দ্য প্লেগ হচ্ছে প্রতীকধর্মী কিংবা বলা যেতে পারে রূপক উপন্যাস । এখানকার কাহিনিতে ক্যামুর শৈশব আছে, আছে আলজেরিয়ার ওরাওঁ বন্দর, এখানকার মানুষের নিপীড়নের প্রতিকী বর্ণনা। সেখানে নেমে আসে এক ভয়াল ছোঁয়াছে রোগ প্লেগ, যা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এ তো রোগ নয়, যেন ভয়ংকর জীবনের জীবন্ত প্রমাণক। এটি একটা নগরকে বদলে ফেলে, জীবনকে বদলে দেয়, মানুষের জীবনাচরণে পরিবর্তন ঘটায়, যেন এক স্বৈরাচারের উত্থান। মনে পড়ে যায়, নাৎসি বাহিনীর ফান্স দখলের কথা, হিটলারের কথা। একই সঙ্গে লেখক পাঠকদের ধর্ম সম্পর্কে, জীবনের গভীরবোধ সম্পর্কে, সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে নবতর চৈতন্যের ইঙ্গিত দেন।
এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে পাঠক কেন পড়বেন ‘দ্য প্লেগ ’, কিংবা পড়ে থাকলে পাঠক কি ‘দ্য প্লেগ ’ ও ২০২০ সালের বিশ্বের মধ্যে কোনো সাদৃশ্য খুঁজে পাবেন ? আমরা কি ২০১৯ সালে উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনা ভাইরাসের ফলে পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করি? উত্তর খুঁজতে উপন্যাসটি পাঠককে পড়তেই হবে।
ওরাওঁ শহরে শত শত ইঁদুরের মৃত্যু, এক জন থেকে আরেক জন-এই ভাবে শত শত জনের মাঝে সংক্রমণ। এক অজানা জীবাণু সংক্রমণে সারা শহরে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। বিংশ শতাব্দীর নোবেলজয়ী অস্তিত্ববাদী লেখক আলবেয়ার ক্যামুর বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্য প্লেগ-এ এই ভাবে আলজেরীয় শহর ওরাওঁর মহামারীতে আক্রান্ত হওয়ার বর্ণনা রয়েছে। জীবন-মৃত্যু, আশা-নিরাশা, সফলতা-ব্যর্থতা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, সাম্য-অসাম্য, শাসিত-শোষিত, যুদ্ধ-শান্তি-এই দুইয়ের চিরায়িত দ্বন্ধের মাঝে তিনি জীবনের সফলতা, সার্থকতা খুঁজেছেন, মানুষের মানবীয় অস্তিত্বের প্রমাণ করতে চেয়েছেন।
উপন্যাসে বর্ণিত ওরাওঁ শহরে মানুষ এক অজানা জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। বাঁচার জন্য কেউ পালানোর চেষ্টা করছে, কেউ আত্মহত্যার পথ বেচে নিচ্ছে, কেউ একে ঈশ্বর প্রদত্ত গজব বলছেন, কিছু চিকিৎসক এই মহামারীকালে আক্রান্ত মানুষদের সেবায় নিয়োজিত হচ্ছেন, কেউ কেউ গঠন করছেন স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী মানুষের সেবার উদ্দেশ্যে। ক্যামুর কল্পিত এই শহর যেন তার জন্মশহরের প্রতিনিধিত্ব করছে।
উপন্যাসে ডাক্তার রিও নিজ অসুস্হ স্ত্রীকে অন্য শহরের হাসপাতালে রেখে দিবারাত্রি পে¬গাক্রান্ত মানুষদের সেবায় নিয়োজিত হলেন। তিনি কোন ব্যাখ্যায় গেলেন না-কেন এই মহামারী, কী তার সমাধান, সব বাদ দিয়ে তিনি মানুষের জন্য এগিয়ে এলেন। অন্যদিকে ফাদার প্যানিলো, যিনি একজন খৃস্টীয় যাজক, এই মহামারীকে চিহ্নিত করলেন মানুষের পাপের ফসল হিসাবে। তিনি একজন শিশুর মৃত্যুকে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসের পরীক্ষা বলে অভিহিত করলেন। এই দুই বিপরীত চরিত্রের মানুষ দিয়ে ক্যামু মানুষের প্রকৃত চেহারা তুলে ধরলেন।প্রকারান্তে নিজে রিও চরিত্রে লুকালেন।
এই উপন্যাসের ভেতর দিয়ে ধ্বংসস্তুপের মাঝেও আমরা আশার কথা শুনি। মাত্র ছয় মাসের মাথায় প্লেগ ও কমতে থাকে। ফলে জীবন আবার গতি,ছন্দ ফিরে পায়। সর্বত্র আনন্দধ্বনি ওঠে। উপন্যাসের একেবারে শেষদিকে ডাক্তার কিছু কথা জানান। যে রোগী মৃত্যুগন্ধী তা নাকি কোনোদিন একেবারে নিশ্চিহ্ন হয় না। কোথাও-না-কোথাও কোনো-না-কোনোভাব নিজেকে জিইয়ে রাখে। এ হচ্ছে মৃত্যুবীজ, যা যুগ যুগ ধরে জীবিত থাকে। এই যে বীজের ইঙ্গিত দেওয়া হলো, তা তো প্রচলিত কোনো বীজ মনে হয় না, এই হচ্ছে স্বৈরাচারের, ফ্যাসিজমের রূপক।
আলবেয়ার ক্যামু প্লেগ দেখেন নি, পুস্তকে পড়েছেন বিউবোনিক প্লেগ, কলেরা মহামারী নিয়ে। অতীতে ঘটে যাওয়া মহামারীকে উপজীব্য করে লিখেছেন বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্য প্লেগ’। প্লেগর আড়ালে পরোক্ষভাবে নাৎসী ববর্রতা, নিপীড়নও তুলে ধরেন । বইটি ১৯৩৯ সালে লেখা শুরু করেন এবং প্রকাশ করেছেন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধোত্তর কালে ১৯৪৭ সালে। আজ ক্যামুর রেখে যাওয়া ইউরোপসহ সারা বিশ্ব সত্যি পেগ্লে আক্রান্ত।মানুষ পালিয়ে বেড়াচ্ছে অনাহারে, অর্ধাহারে, চরম অভাব সাথে নিয়ে দিন কাটাচ্ছে। হাসপাতালের বেডে কেউ হাঁপাচ্ছে অক্সিজেন স্বল্পতায়, কেউ তীব্র শ্বাসকষ্টে মৃত্যুর প্রহর গুনছে, অন্যদিকে লাশ ঘরে পড়ে আছে অসংখ্য লাশ সৎকারের অপেক্ষায়। এই যেন ক্যামুর কল্পিত ওরাওঁ শহর। চারদিকে মৃত্যু, চারদিকে লাশ, চারদিকে হাহাকার। কে আসবে কাকে বাঁচাতে ? ক্যামুর বর্ণিত ডাক্তার রিও, জাঁ তারাউ, রঁ বেয়ার অভাব বোধ করছে পুরো পৃথিবী। সবাই ব্যস্ত নিজ নিজ ব্যাখ্যায়, তত্ত্বে, সর্বোপরি নিজেকে বাঁচানোর কৌশলে।
‘দ্য প্লেগ’ উপন্যাসের কোথাও লেখক সরাসরি নাৎসি বাহিনীর নির্মমতা কিংবা ফরাসিদের অসহায়ত্বের কথা বর্ণনা করেননি। কিন্তু যে প্রবল শক্তিশালী মহামারীর করাল গ্রাসের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে, তা নাৎসি বাহিনীর অমানবিকতারই প্রতিনিধিত্ব করে। একটু খোলস পাল্টিয়ে দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়। মহামারীর আতঙ্কে পুরো শহর ভীতসন্ত্রস্ত, স্তব্ধ, স্থবির। প্রতি সপ্তাহ শেষে যখন মৃত মানুষের সংখ্যা ঘোষণা করা হয়, তখন বেঁচে থাকা মানুষগুলো পুনরায় ভীতসন্ত্রস্ত হয়। বেঁচে থাকা নিয়ে তারা সন্দিহান হয়ে পড়ে।
উপন্যাসের চরিত্র প্রসঙ্গে আসলে প্রথমেই ডাক্তার বার্নাড রিওর কথা উঠে আসে। লম্বা, কালো চামড়ার এই মানুষটি পেশায় একজন ডাক্তার। মহামারীর প্রকোপ থেকে শহরের মানুষদের বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। মহামারীর আগমনের পর তার ব্যক্তিজীবন বলতে আর কিছুই থাকে না। তারপরও তিনি আশাবাদী। তার অস্তিত্ববাদী দার্শনিকতাসম্পন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পায়।মনে হয়, ক্যামু নিজেই চরিত্রটি বয়ে বেড়ায়।
উপন্যাসের বাকি চরিত্রগুলোর মধ্যে আলাদা করে বেয়ারের কথা বলতে হয়। ফরাসি এই সাংবাদিক ওরাওঁ শহরে এসেছিলেন তথ্য সংগ্রহের জন্য। কিন্তু পুরো শহর আবদ্ধ ঘোষণার ফলে তাকে আর তার নিজ শহরে ফিরতে দেয়া হয়নি। মহামারীতে পর্যুদস্ত শহরে জীবন বিষিয়ে উঠে তার। ফলে নতুন করে অস্তিত্বের সংগ্রামে জড়িয়ে পড়তে হয় তাকে। পড়তে পড়তে একসময় মনে হয় রঁ বেয়া যেন সেই আলজেরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করছে, যাকে জোর করে ফরাসিদের পদতলে রাখা হয়েছে। উপন্যাসে জানুয়ারি মাস থেকে কমে আসে মহামারীর প্রকোপ।
দোর্দন্ড প্রতাপশালী মহামারীর রাজত্বের দিন শেষ হয়। মানুষ আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। যেন মুক্তি পায় উপনিবেশিক শাসন থেকে কিংবা পরাজিত করে নাৎসিদের ।
বিংশ শতাব্দীর ক্যামুর পৃথিবী একবিংশ শতাব্দীর কুড়ি বছর পার করছে মাত্র। এরই মাঝে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে আজ কোভিড নাইনটিনের ভয়াবহতা চলছে। ইতিমধ্যে বিশ্বের আড়াই কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে পাঁচ লাখ মানুষ। সারা বিশ্ব প্রকম্পিত এক অদেখা জীবাণুর সংক্রমণে। গবেষক, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ব্যস্ত এর প্রতিষেধক কিংবা ঔষধ আবিষ্কারের জন্য। অন্যদিকে প্রতিদিন কর্মহীন হচ্ছে, দরিদ্র হচ্ছে, উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। এমন এক ভাইরাস এটি, স্পর্শ করলেই সংক্রমিত হবার আশংকা। ফলে ক্যামুর সেই মানবিক বিশ্ব, নিজ অস্তিত্বকে প্রমাণ করার প্রাণান্ত চেষ্টা, মানুষকে বাচাঁনোর চেষ্টা বোধ করি উপেক্ষিত হচ্ছে। সবাই কেবল পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
‘দ্য প্লেগ’ উপন্যাস কি শুধুই সমকালীন মহামারীর হিংগ্রতার কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে নাকি এর মধ্যে ভূ- রাজনীতির নগ্ন খেলাও রয়েছে? এই প্রশ্ন সাহিত্য সমালোচকদের মনে জাগ্রত হতেই পারে।ক্যামুর ওরাওঁ শহর কেবলই পেগ্ল দ্বারা আবদ্ধ ছিল না, পুরো দেশটায় ছিল পরাধীনতার শিকলে বন্দি।নভেল করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে দুই পরাশক্তির মাঝে বিতর্ক চলছে, চলছে পরস্পরিক দোষারোপ, পর্দার আড়ালে চলছে ভূ-রাজনৈতিক দাবাখেলা। একদিকে চীন-ভারত-পাকিস্তান-নেপাল, মধ্যপ্রাচ্য-দূরপ্রাচ্য, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন-হু বিবাদ প্রকাশ্যে, আড়ালে চলছে। তখন হিটলারের নাৎসী বাহিনী ফান্স অধিকৃত আলজেরীয় এই শহর দখল করছিল, আজ এই শতাব্দীতে ভিন্ন আঙ্গিকে চলছে দেশ দখল, উপনিবেশিক শাসন। লেখক-কলামিষ্টও সাংবাদিক

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


সংবাদ পড়তে লাইক দিন ফেসবুক পেজে