August 10, 2020, 1:29 am


করোনায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সুবর্ণচরে বারটানের সেমিনার

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
করোনাকালীন মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টিগবেষণা ও ইনস্টিটিউট (বারটান) এর সুবর্ণচর নোয়াখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ে গত ২৮ জুন ‘‘রোগ প্রতিরোধ ও সুস্বা¯ে’্যর জন্য দৈনিক ক্যালরি গ্রহন ও অনুপুষ্টি উপাদানের ভূমিকা ”শীর্ষক প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেমিনারে বারটান আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় মুলপ্রবন্ধ উপ¯’াপন করেন বারটানের সুবর্ণচর নোয়াখালী আঞ্চালিক কার্যালয়ের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরউল্যাহ। প্রধান আলোচক হিসেবে উপ¯ি’ত ছিলেন বিএডিসি সুবর্ণচর নোয়াখালীর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুল আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার সুবর্ণচর নোয়াখালীর আঞ্চালিক কেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: শেফাউর রহমান, সুবর্ণচর উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, সলিডারিডেড প্রোগ্রাম অফিসার মো: সাইফুল্ল্যাহ, সিনিয়র সাংবাদিক কামাল চৌধুরী, ইব্রাহিম খলিল উল্যাহ, সাংবাদিক আব্দুল বারী বাবলুও জহিরউদ্দিন তুহিন। সেমিনারে বক্তারা করোনা রোগসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার উপর জোর দেন। এন্টি অক্সিডেন্ট যেমন-ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, বিটা-ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম যুক্ত খাবার খেতে বলেন। তাছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন আদা, রসুন, মধু, কালজিরা খাওয়ার কথা বলা হয়। সুষম খাদ্যের মধ্যে রোগ প্রতিরোধক সস্তা খাবার হল-কচুশাক, সীম, বাঙ্গি,বেগুন,পুঁইশাক,কাঠাল, পেয়ারা, আনারস, পেঁপে, লেবু, আমলকি, গাজর, ফুলকপি, কামরাঙ্গা, লাউ, লালশাক, পালংশাক, করলা, হেলেঞ্চাশাক ওটমেটো। সুষম দামী খাবারের মধ্যে ডিমের কুসুম, দধি, দুধ, আম, পাকা পেঁপে, পনির, লিচ,কলিজা এবং সকল ফলমূল। শক্তিদায়ক সস্তা খাবার মধ্যে মোটা চালের ভাত, মিষ্টি আলু, কচু, গোল আলু, তৈল, গুড়, ভুট্রা, নারিকেল। শক্তিদায়ক দামী খাবার যেমন-সরুচালের ভাত, কেক, মুড়ি, মধু,মাখন, বিস্কুট,পাউরুটি,ঘি, খোরমা খেজুর,কিসমিস,জিলাপী,মিষ্টি ওকলা। শরীরবৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয় পুরণকারী বা আমিষ জাতীয় খাবারের মধ্যে সস্তা খাবার-যেমন ছোটমাছ, কাঠালেরবীচি, চিনাবাদম, শুকটি মাছ এবং শরীর বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পুরণকারী দামী খাবার যেমন-মায়ের বুকের দুধ,বড়মাছ, দুধ, কলিজা, ডিম, মাংস ও পনির। উল্লেখিত শক্তিদায়ক খাবার, বৃদ্ধি সাধক ও ক্ষয়পুরণকারী খাবার ও রোগ প্রতিরোধক খাবার এ ৩ শ্রেণির খাবার থেকে প্রতিদিন ২/৩ ধরনের খাবার খাওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তথাপি খাবারগুলো নিজের বাড়িতে এবং বাড়ির আশে-পাশে জমিতে চাষ করার জন্য সেমিনারে উৎসাহিত করা হয়। সেমিনারের শিক্ষক/শিক্ষিকা,এনজিও কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপ¯ি’ত ছিলেন।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


সংবাদ পড়তে লাইক দিন ফেসবুক পেজে